Home অনুচ্ছেদ আর্সেনিক সমস্যা অনুচ্ছেদ | বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ রচনা

আর্সেনিক সমস্যা অনুচ্ছেদ | বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ রচনা

by Curiosityn
1 comment

প্রশ্নঃ আর্সেনিক সমস্যা নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ ।

উত্তরঃ

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে আর্সেনিক একটি মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। আর্সেনিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এক ধরনের পদার্থ। এর কোনাে রং, গন্ধ ও স্বাদ নেই। বাংলাদেশের মানদণ্ড অনুযায়ী পানীয় জলে আর্সেনিক মাত্রা প্রতি লিটারে ৫০ মাইক্রো গ্রামের কম হলে সেটি নিরাপদ, যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার মতে, এটি ১০ মাইক্রো গ্রামের কম হতে হবে (তথ্যসূত্র:বিবিএস)। আমাদের দেশের বেশিরভাগ এলাকার টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক ধরা পড়েছে। আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ আর্সেনিকজনিত রােগে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আর্সেনিকে আক্রান্ত রােগীর গায়ে (যেমন— বুকে, পিঠে, পেটে) কালাে দাগ দেখা যায়। এর প্রভাবে চামড়ার রং কালাে হয়ে যায় বা ছােট ছােট কালাে দাগ হয় । হাত ও পায়ের তালুতে ছােট ছােট শক্ত গুটি দেখা দেয়। এছাড়া এ রােগে বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা, খাওয়া-দাওয়ায় অরুচি, মুখে ঘা ইত্যাদি লক্ষণও দেখা দেয়। তবে মানুষের শরীরে আর্সেনিকের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ৬ মাস থেকে ২০ বছর বা কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি সময় লাগে। এ লক্ষণগুলাে তিনটি পর্যায়ে দেখা দেয়। ধীরে ধীরে দেশজুড়ে এ রােগটি মারাত্মক আকার নিচ্ছে। তাই আর্সেনিক আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অনেকে এ রােগে ধুকে ধুকে জীবন কাটাচ্ছে। আর্সেনিকের ফলে মানুষের কিডনি, লিভার ও ফুসফুস বড়াে হয়ে যায়। ক্ষেত্রবিশেষে টিউমারও হতে পারে। এছাড়া এ রােগে চামড়া, মূত্রথলি ও ফুসফুসে ক্যান্সার হতে পারে । আর্সেনিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে অবশ্যই আর্সেনিক মুক্ত পানি পান করতে হবে। এক্ষেত্রে নদী, পুকুর, বিল ইত্যাদির পানি ছেকে নিয়ে ২০ মিনিট ফুটিয়ে পান করা যায়। এছাড়া বৃষ্টির পানি ব্যবহার করলেও আর্সেনিকের বিরূপ প্রভাব থেকে থেকে বাঁচা যায়। এজন্য নলকূপ স্থাপনের পূর্বে মাটির নিচে আর্সেনিকের মাত্রা পরীক্ষা করা দরকার। তাছাড়া পুরােনাে নলকূপের পানিতে আর্সেনিক আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখতে হবে। টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেলে টিউবওয়েলের মুখে লাল রং করতে হবে। লাল রং চিহ্নিত এসব নলকূপের পানি খাওয়া যাবে না। আর্সেনিকযুক্ত পানি ফুটিয়ে খাওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। কেননা ফুটালে আর্সেনিক দূর হয় না বরং পানি শুকিয়ে গেলে তাতে আর্সেনিকের ঘনত্ব আরাে বেড়ে যায়।

আর্সেনিক সমস্যা অনুচ্ছেদটি কেমন হয়েছে ? নতুন কিছু সংযোজন করা যায় বা বাদ দেওয়া প্রয়োজন? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

1/5 - (1 vote)

You may also like

1 comment

Milon Chandro Sarker February 17, 2022 - 8:01 pm

Are aktu boro korta hoba

Reply

Leave a Comment