Sabbir8986 / December 24, 2020

আলস্য এক ভয়ানক ব্যাধি

Spread the love

আলস্য এক ভয়ানক ব্যাধি ভাবসম্প্রসারণ

মূলভাব : অলসতা আমাদের জীবনে এক মারাত্মক ব্যাধি। দৈহিক রােগ যেমন আমাদের জীবনকে পঙ্গু করে ফেলে, তেমনি অলসতাও আমাদেরকে শ্রম বিমুখ করে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। অলস ব্যক্তি জীবনে কখনও উন্নতি করতে পারে। জীবনে উন্নতি ও সাফল্যের মূলে রয়েছে পরিশ্রম। পরিশ্রমের কোনাে বিকল্প নেই। যে জাতি যতাে বেশি পরিশ্রমী সে জাতি তত বেশি উন্নত। মানবজীবনের এক মারাত্মক ব্যাধি। রােগ-ব্যাধি যেমন মানুষের কর্মক্ষমতা কেড়ে নেয় তেমনি অলসতা মানুষকে শ্রমবিমুখ করে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। ফলে অলস ব্যক্তির জীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় ।পক্ষান্তরে, জীবনের উন্নতি ও সাফল্যের মূলে রয়েছে পরিশ্রম। পরিশ্রমই গড়েছে মানব সভ্যতার বুনিয়াদ। তাই শ্রমবিমুখ অলস ব্যক্তি সমাজ, দেশ ও জাতির অগ্রগতির পথে প্রবল এক বাধা ।

সম্প্রসারিত ভাব : আলস্য বলতে শ্রমবিমুখতা বা কাজ করার ইচ্ছা না থাকাকে বােঝায়। আলস্য সব উদ্যমকে ধ্বংস করে, মানুষকে করে পঙ্গু। আলস্য যে কোনাে ব্যাধির মতােই সংক্রামক ও ধ্বংসকারী। অলস ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠা পায় না; সে হয় নির্মা। কথায় বলে, ‘আলস্য দোষের আকর। অলসতা মানুষের দেহ ও মনে জড়তা আনে। ব্যাধিগ্রস্ত মানুষ যেরূপ অপরের সাহায্য ছাড়া চলতে পারে না, তেমনি অলস ব্যক্তিও অকর্মণ্য হয়ে পড়ে। সমাজে এদেরকে পরগাছার মতাে অপরের দয়ার ওপর বেঁচে থাকতে হয়। দেশ ও জাতির কোনাে মঙ্গল সাধন তাে তারা করতেই পারে না বরং তারা অক্ষম ও পঙ্গু হয়ে পড়ে এবং দেশ ও জাতির বােঝা হয়ে এক দুঃখময় জীবনযাপন করে। কথায় আছে, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আস্তানা। অলস ও অকর্মণ্য ব্যক্তিরাই সমাজে সকল অনাচার ও কুকর্মের উদ্ভাবক। ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন সমাজের রােগ বিস্তারে সহায়তা করে, তেমনি অলস ও অকর্মণ্য লােক নানা কুচিন্তা ও কুকাজ দ্বারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও অশান্তি ডেকে আনে। অলস লােকের সংস্পর্শে এসে কোনাে কর্মঠ ব্যক্তিও অলস হয়ে যেতে পারে। তবে কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিতে হয়। কিন্তু বিশ্রাম আর আলস্য এক কথা নয়। বিশ্রাম কাজেরই একটা অঙ্গ। শক্তি সঞ্চয়ের জন্য বিশ্রামের প্রয়ােজন অপরিহার্য। তবে বিশ্রামের যদি নির্দিষ্ট সময় না থাকে, তা যদি হয় কাজ চলাকালীন, তবে তা অবশ্যই আলস্যের নামান্তর। আর এ আলস্য অন্য সব কঠিন রােগের মতােই ভয়ানক ও মারাত্মক।আলস্য বলতে শ্রমবিমুখতাকে বােঝায়। অর্থাৎ কাজ করার ইচ্ছা বা আগ্রহ না থাকা কিংবা কাজে ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতাই আলস্য। কিন্তু আমরা জানি-ব্যক্তিজীবন কিংবা জাতি, দেশ ও সমাজের উন্নতি, সাফল্য ও অগ্রগতি সবই নির্ভর করে পরিশ্রমের ওপর। যে জাতি যত বেশি পরিশ্রমী সে জাতি তত বেশি উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। আলস্য এমনই এক ব্যাধি যা, সব উদ্যমকে ধ্বংস করে দেয়, অনেক সময় মানুষকে পঙ্গু করে ফেলে। অলসতা একবার যাকে পেয়ে বসে তার কোনাে কর্মস্পৃহা থাকে না। সমাজে এ ধরনের মানুষ পরগাছার মতাে অপরের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। এরা দেশ ও জাতির কোনাে মঙ্গল তাে করতে পারেই না বরং দেশ ও জাতির বােঝা হয়ে দুঃখময় জীবনযাপন করে। কথায় আছে। কথায় আছে–’অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।’ ফলে অলস ব্যক্তিরা সর্বদাই নানা ধরনের কুচিন্তা ও কুকর্ম নিয়ে ভাবে। মাথার মধ্যে যাদের খারাপ চিন্তা তারা বাস্তবে তা প্রয়ােগ করার চেষ্টা চালায়। তাদের প্রভাবে সমাজে সৃষ্টি হয় অশান্তি। অনেক সময় কর্মঠ ব্যক্তিও অলস হয়ে পড়ে। এরা ছোঁয়াচে ব্যাধির মতাে সমাজে আলস্য রােগের বিস্তার ঘটায়। এরা সমাজের বিকাশের পথে বাধা। এটা বুঝেই আমাদের সবাইকে নিজের জন্য, দেশ, সমাজ ও জাতির কল্যাণের জন্য আলস্য নামক ভয়ানক ব্যাধি থেকে দূরে থাকতে হবে। এভাবে আলস্য পরিহার করে পরিশ্রমের মাধ্যমে উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে হবে।

আলস্য নামক অভিশপ্ত রােগকে পরিহার করে কঠোর শ্রমের মাধ্যমে যােগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তােলা উচিত।

আলস্য এক ভয়ানক ব্যাধি (ভিন্ন লেখা)

মূলভাব : অলসতা আমাদের জীবনে এক মারাত্মক ব্যাধি। দৈহিক রােগ যেমন আমাদের জীবনকে পঙ্গু করে ফেলে, তেমনি অলসতাও আমাদেরকে শ্রম বিমুখ করে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। অলস ব্যক্তি জীবনে কখনও উন্নতি করতে পারে। জীবনে উন্নতি ও সাফল্যের মূলে রয়েছে পরিশ্রম। পরিশ্রমের কোনাে বিকল্প নেই। যে জাতি যতাে বেশি পরিশ্রমী সে জাতি তত বেশি উন্নত।

সম্প্রসারিত ভাব : আলস্য বলতে শ্রমবিমুখতা বা কাজ করার ইচ্ছা না থাকাকে বােঝায়। আলস্য সব উদ্যমকে ধ্বংস করে, মানুষকে করে পঙ্গু। আলস্য যে কোনাে ব্যাধির মতােই সংক্রামক ও ধ্বংসকারী। অলস ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠা পায় না; সে হয় নির্মা। কথায় বলে, ‘আলস্য দোষের আকর। অলসতা মানুষের দেহ ও মনে জড়তা আনে। ব্যাধিগ্রস্ত মানুষ যেরূপ অপরের সাহায্য ছাড়া চলতে পারে না, তেমনি অলস ব্যক্তিও অকর্মণ্য হয়ে পড়ে। সমাজে এদেরকে পরগাছার মতাে অপরের দয়ার ওপর বেঁচে থাকতে হয়। দেশ ও জাতির কোনাে মঙ্গল সাধন তাে তারা করতেই পারে না বরং তারা
অক্ষম ও পঙ্গু হয়ে পড়ে এবং দেশ ও জাতির বােঝা হয়ে এক দুঃখময় জীবনযাপন করে। কথায় আছে, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আস্তানা। অলস ও অকর্মণ্য ব্যক্তিরাই সমাজে সকল অনাচার ও কুকর্মের উদ্ভাবক। ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি যেমন সমাজের রােগ বিস্তারে সহায়তা করে, তেমনি অলস ও অকর্মণ্য লােক নানা কুচিন্তা ও কুকাজ দ্বারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও অশান্তি ডেকে আনে। অলস লােকের সংস্পর্শে এসে কোনাে কর্মঠ ব্যক্তিও অলস হয়ে যেতে পারে। তবে কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিতে হয়। কিন্তু বিশ্রাম আর
আলস্য এক কথা নয়। বিশ্রাম কাজেরই একটা অঙ্গ। শক্তি সঞ্চয়ের জন্য বিশ্রামের প্রয়ােজন অপরিহার্য। তবে বিশ্রামের যদি নির্দিষ্ট সময় না থাকে, তা যদি হয় কাজ চলাকালীন, তবে তা অবশ্যই আলস্যের নামান্তর। আর এ আলস্য অন্য সব কঠিন রােগের মতােই ভয়ানক ও মারাত্মক।

মন্তব্য : আমাদের উচিত সবসময় অলসতা পরিহার করে কঠোর শ্রমের মাধ্যমে নিজেদেরকে দেশের যােগ্য হিসেবে গড়ে তােলা।

Submit a Comment

Must be required * marked fields.

:*
:*

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content

রচনা, ভাবসম্প্রসারণ,অনুচ্ছেদ,পত্র, আবেদন পত্র, সারাংশ-সারমর্ম , লিখন , বাংলা, ১০ম শ্রেণি, ২য় শ্রেণি, ৩য় শ্রেণি, ৪র্থ শ্রেণি, ৫ম শ্রেণি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ৭ম শ্রেণি, ৮ম শ্রেণি, ৯ম শ্রেণি,  for class 10, for class 2, for class 3, for class 4, for class 5, for class 6, for class 7, for class 8, for class 9, for class hsc, for class jsc, for class ssc, একাদশ শ্রেণি, দ্বাদশ শ্রেণি