Food adulteration paragraph | SSC, HSC |

Nowadays, food adulteration is quite familiar. Paragraph on food adulteration can come in exam. Here is a a sample paragraph on food adulteration with Bangla meaning.

Food adulteration paragraph 300 words

Food adulteration has emerged as a silent killer these days. People in urban and rural areas are not immune to this problem. Generally, adulteration of food means mixing low quality harmful and unnecessary products with food. Unscrupulous traders are adulterating their food out of greedy attitude. This is threatening people’s lives. Although adulteration of food is a heinous crime, adulteration is now found in almost all foods. Type of food. In order to increase the brightness, artificial colors are added, sand, gravel and water are added to increase the weight. Overall food adulteration is done in two ways. Such as- 1. Inadvertently or unintentionally, 2. Deliberately or in the hope of making more profit. Unintentional adulteration of food is not so harmful. But intentional adulteration is deadly harmful. The most frightening aspect of intentional adulteration is chemical mixing in food. We are all more or less affected by the destructive activities of adulteration that are taking place in present day Bangladesh. Fruits that we usually eat, such as bananas, grapes, apples, mangoes, pineapples are almost all chemically or toxic. Cooking foods such as fish-meat-vegetables and even milk or dairy sweets are being adulterated and chemically mixed. The situation is such that the buyer knows that the food product is chemically mixed or adulterated, yet he is buying. Because at the moment he has no other way. As a result, adulterated food is constantly destroying our kidneys and liver little by little. In this almost incurable state, we are sighing, surrendering ourselves to destiny. We need to get rid of the curse of adulteration in this food as soon as possible. And it requires the concerted efforts of the government and the people of the country.

Bangla meaning

খাদ্যে ভেজাল আজকাল নীরব ঘাতক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের মানুষ এই সমস্যা থেকে মুক্ত নয়। সাধারণত খাদ্যে ভেজাল মানে খাদ্যে নিম্নমানের ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় পণ্য মেশানো। অসাধু ব্যবসায়ীরা লোভী মনোভাব দেখিয়ে খাবারে ভেজাল দিচ্ছে। এতে মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়ছে। খাদ্যে ভেজাল জঘন্য অপরাধ হলেও এখন প্রায় সব খাবারেই ভেজাল পাওয়া যায়। খাদ্যের ধরণ. উজ্জ্বলতা বাড়াতে কৃত্রিম রং যোগ করা হয়, ওজন বাড়ানোর জন্য বালি, নুড়ি ও পানি যোগ করা হয়। সামগ্রিক খাদ্যে ভেজাল দুইভাবে করা হয়। যেমন- 1. অসাবধানতাবশত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে, 2. ইচ্ছাকৃতভাবে বা অধিক লাভের আশায়। খাদ্যে অনিচ্ছাকৃত ভেজাল তেমন ক্ষতিকর নয়। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভেজাল মারাত্মক ক্ষতিকর। ইচ্ছাকৃত ভেজালের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হল খাদ্যে রাসায়নিক মেশানো। বর্তমান বাংলাদেশে ভেজালের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে আমরা সবাই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমরা সাধারণত যেসব ফল খাই, যেমন কলা, আঙুর, আপেল, আম, আনারস প্রায় সবই রাসায়নিক বা বিষাক্ত। রান্নার খাবার যেমন মাছ-মাংস-সবজি এমনকি দুধ বা দুগ্ধজাত মিষ্টিতেও ভেজাল ও রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে। অবস্থা এমন যে, ক্রেতা জানে খাদ্যপণ্যে রাসায়নিক মেশানো বা ভেজাল, তারপরও সে কিনছে। কারণ এই মুহূর্তে তার আর কোনো উপায় নেই। ফলে ভেজাল খাবার প্রতিনিয়ত আমাদের কিডনি ও লিভারকে একটু একটু করে নষ্ট করে দিচ্ছে। এই প্রায় দুরারোগ্য অবস্থায় আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলছি, নিয়তির কাছে আত্মসমর্পণ করছি। যত দ্রুত সম্ভব এই খাদ্যে ভেজালের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন সরকার ও দেশের জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *